পৃষ্ঠাসমূহ / Pages

শেখ হাসিনার ভারত সফর

 
শেখ হাসিনার সাম্প্রতিক ভারত সফর দুই দেশের কাছে এক উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এই সফরে দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু সমঝোতা  হয়েছে যা দুই দেশের স্বার্থ রক্ষা করবে। বাংলাদেশকে আর্থিক সহায়তা  ছাড়াও দুদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক আদানপ্রদানের উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা দুই দেশের জণগন কে কাছে নিয়ে আসবে এই কর্মসুচীর অন্তরগত, ২০১১ সালে রবীন্দ্রানাথ ঠাকুরের ১২৫তম জন্মবার্ষীকি একসাথে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। খুবই খুশীর খবর।

২০০৯ সালের ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার, শান্তি, নিরস্ত্রীকরন ও উন্নয়নের জন্য  সেখ হাসিনাকে প্রদান করা হলো। ১৯৭৫ সালে যখন সেখ হাসিনার তাঁর নিজের দেশ তার পক্ষে নিরাপদ ছিল না, এই ইন্দিরা গান্ধীই তাঁকে আশ্রয় দিয়েছিলেন। সেই বিপদের দিনে ভারত তাঁর ও তাঁর পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি আজও কৃতজ্ঞতা বোধে   ভারতকে "মায়ের" মতই মনে করেন। মুজীব কন্যা ৬ বছর ভারতের অতীথেয়তায় সসন্মানে নিরাপদে বাস করেন । তাই তাঁর কাছে ভারত অত্যন্ত কাছের এবং  হয়ত তিনি সর্বদাই "ভারতপন্থী"। ভারত সারকারও "কন্যাস্নেহে" তাঁর সব "আব্দার" মেনে নিয়ে সর্বতোভাবে তাঁকে (তাঁর সরকারকে) সাহেয্যের হাত সর্বদাই বাড়িয়ে দেয়। হয়ত ভারতেরও কিছু স্বার্থ আছে। ভারত শুধু চায় বাংলাদেশের মাটী থেকে সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপ বন্ধ হোক। এটুকুই কাম্য।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন