পৃষ্ঠাসমূহ / Pages

A touch of love




এস, বোস মোর পাশে,

মাথাখানি রাখ মোর কাঁধে,

কর ক্ষণিক বিশ্রাম ।

আমার চুম্বন, আমার হাতের স্পর্শে,

ভুলায়ে ব্যাথা সব, নিয়ে যাবে স্বর্গে।



Existence of God !!



 Something interesting regarding those who believe and those who don't believe in God ! It stimulates our lateral thinking. (Please open it in Mozilla Firefox browser to get the Bengali correctly)
ঈশ্বরে বিশ্বাস থাক বা না থাক, এই গল্পটি আমাদের ঈশ্বর সম্বন্ধীয় ধ্যান ধারনাকে একটু নাড়া দেয় । আমরা আবার ভাবতে বসি- হয়তো সত্যি - - - - থাক ! গল্পে আসা যাক। মূল গল্পটাকে রেখে অনুবাদ দেওয়া হল।
In a mother’s womb were two babies. One asked the other: “Do you believe in life after delivery?”The other replied, “Why, of course. There has to be something after delivery. Maybe we are here to prepare ourselves for what we will be later.”
মাতৃগর্ভে দুই সন্তান (যমজ) বড় হচ্ছে। একদিন একটি সন্তান (একে "প্রথম" নামে চিহ্নিত করবো) অন্যজনকে জিজ্ঞাসা করলো : " প্রসবের পর  জীবন আছে , তা কি তুই  বিশ্বাস করিস?"
অন্যজনের (দ্বিতীয়) উত্তর : "কেন, অবশ্যই আছে। জন্মের পর আবশ্যই নতুন কিছু থাকবে। হয়তো আমরা পরবর্তীকালে যা হব আমাদের এখানে তারই প্রস্তুতি চলছে। 
“Nonsense” said the first. “There is no life after delivery. What kind of life would that be?”
"ননসেন্স" বলল প্রথম জন। " জন্মের (after Delivery)পর জীবন নেই। জীবন থাকলেও কি ধরনের জীবন হবে সেটা ?
The second said, “I don’t know, but there will be more light than here. Maybe we will walk with our legs and eat from our mouths. Maybe we will have other senses that we can’t understand now.”  
দ্বিতীয় জন বলল : " তা আমি জানি না, তবে এখানের চেয়ে অনেক বেশী আলো থাকবে সেথা । হয়ত আমরা আমাদের পা দিয়ে হাঁটব এবং মুখ দিয়ে খাবার খাবো। হয়তো আমাদের আরো কিছু অনুভূতি থাকবে যা এখন আমরা বুঝতে পারছি না।"
The first replied, “That is absurd. Walking is impossible. And eating with our mouths? Ridiculous! The umbilical cord supplies nutrition and everything we need. But the umbilical cord is so short. Life after delivery is to be logically excluded.”

প্রথম বলল : অবাস্তব। হাঁটা  অসম্ভব। মুখ দিয়ে খাওয়া? হাস্যকর ব্যাপার! নাভীর সঙ্গে যুক্ত নাড়ী দিয়েই আমাদের প্রয়োজনীয়  সব খাদ্যের জোগান পাই। এই খাদ্যের নলটা যদিও খুবই ছোট। জন্মের পর হয়ত এটা আর থাকবে না।"
The second insisted, “Well I think there is something and maybe it’s different than it is here. Maybe we won’t need this physical cord anymore.”
এবার দ্বিতীয় জোর দিয়ে বলল : " বেশ, আমার মনে হয় অন্য কিছু ব্যাবস্থা থাকবে এবং সেটা হয়ত এখানের থেকে আলাদা হবে। তখন হয়ত আমাদের এই নাভীর সঙ্গে যুক্ত নাড়ীর প্রয়োজন হবে না।"
The first replied, “Nonsense. And moreover if there is life, then why has no one has ever come back from there? Delivery is the end of life, and in the after-delivery there is nothing but darkness and silence and oblivion. It takes us nowhere.”
প্রথম জনের উত্তর :  "ননসেন্স । যদি এই মাতৃ জঠরের বাইরে জীবন থেকে থাকে, তাহলে  সেখান থেকে তো কেও ফিরে আসেনি ? প্রসবের পর আমাদের জীবন শেষ এবং প্রসবের পর অন্ধকার, নিরবতা,  বিস্মৃতি ছাড়া কিছু নেই। আমরা শেষ হয়ে যাবো।"
“Well, I don’t know,” said the second, “but certainly we will meet Mother and she will take care of us.”
দ্বিতীয় জন বলল : " বেশ, আমি জানি না," তবে অবশ্যই মায়ের সাথে আমাদের দেখা হবে এবং তিনি আমাদের যত্ন করবেন।"
The first replied “Mother? You actually believe in Mother? That’s laughable. If Mother exists then where is She now?”
 প্রথম জনের উত্তর : " মা ? তুই কি মায়ে বিশ্বাস করিস? এটা হাস্যকর। যদি মা থাকতেন, তাহলে এখন তিনি  কোথায়?
The second said, “She is all around us. We are surrounded by her. We are of Her. It is in Her that we live. Without Her this world would not and could not exist.”
 দ্বিতীয় জন বলল : " তিনি সর্বত্র বিরাজমান। আমরা তাঁর দ্বারা পরিবৃত হয়ে আছি। আমরা তাঁরই। আমরা তাঁরই গর্ভে বাস করছি। তাকে ছাড়া এই জগত থাকবে না, থাকতে পারে না।
Said the first: “Well I don’t see Her, so it is only logical that She doesn't exist.”
 প্রথম জনের  উত্তর : " বেশ, আমি তো তাঁকে দেখতে পাই না, তাই এটাই যুক্তিসম্মত যে তাঁর অস্থিত্ব নেই।"
To which the second replied, “Sometimes, when you’re in silence and you focus and listen, you can perceive Her presence, and you can hear Her loving voice, calling down from above.”
যার উত্তরে দ্বিতীয় জন বলল : " কখনও কখনও নীরবে  ও একাগ্র চিত্তে শোনার চেষ্টা করলে তাঁর অস্তিত্ব অনুভব করা যায়, এবং তাঁর স্নেহভরা কন্ঠস্বর শোনা যায়, উপর থেকে তিনি ডাকছেন।" 

From  "Your Sacred self"  by Dr. Wayne Dyer


"Drink to me only with"- an immortal love song (with lyrics)


Lyric
Drink to me only with thine eyes, And I will pledge with mine;
Or leave a kiss within the cup And I'll not ask for wine.
The thirst that from the soul doth rise Doth ask a drink divine;
But might I of Jove's nectar sup, I would not change for thine.

I sent thee late a rosy wreath, Not so much honouring thee
As giving it a hope that there It could not withered be;
But thou thereon didst only breathe, And sent'st it back to me;
Since when it grows, and smells, I swear, Not of itself but thee!

By Ben Jonson in his poem "Song to Celia ". in 1616)
************


এই গানটির দ্বারা অনুপ্রানিত হয়ে ১৮৮৫ সালে রবীন্দ্রনাথ লিখলেন "কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া" ।

দুটি গানকে একটি ভিডিওতে উপস্থাপিত করলাম। দুটি গানই স্বাগতালক্ষী গেয়েছেন। গানদুটি শুনুন। নীচে Lyric দেওয়া হল :

কতবার ভেবেছিনু আপনা ভুলিয়া
তোমার চরণে দিব হৃদয় খুলিয়া...
চরণে ধরিয়া তব কহিব প্রকাশি
গোপনে তোমারে, সখা, কত ভালোবাসি।
ভেবেছিনু কোথা তুমি স্বর্গের দেবতা,
কেমনে তোমারে কব প্রণয়ের কথা।
ভেবেছিনু মনে মনে দূরে দূরে থাকি
চিরজন্ম সঙ্গোপনে পূজিব একাকী---
কেহ জানিবে না মোর গভীর প্রনয়,
কেহ দেখিবে না মোর অশ্রুবারিচয়।
আপনি আজিকে যবে শুধাইছ আসি,
কেমনে প্রকাশি কব কত ভালবাসি।।

পর্য়ায় ~ প্রেম ও প্রকৃতি / রাগ~ মিশ্র ছায়ানট / রচনাকাল ~ ১৮৮৫

কাজলা দিদি

 আমরা ছাত্রাবস্থায় কিছু কবিতা পড়েছিলাম, কিছু কিছু এখনও মনে গেঁথে আছে। সেরকমই একটা কবিতা এখানে দিলাম, আশা করি আপনাদের পুরানো স্মৃতি উস্কে দেবে, হয়ত ভাল লাগবে ---

বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই--
মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই ?
পুকুর ধারে, নেবুর তলে     
থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,--
ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই;
মাগো, আমার কোলের কাছে  কাজলা দিদি কই?


সে দিন হতে দিদিকে আর কেনই বা না ডাকো,
দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো ?
খাবার খেতে আমি যখন  
দিদি বলে ডাকি  তখন,
ওঘর থেকে কেন মা আর  দিদি আসেনাকো,
আমি ডাকি, - তুমি কেন চুপটি করে থাকো ?

বল মা দিদি কোথায় গেছে, আসবে আবার কবে?
কাল যে আমার নতুন ঘরে পুতুল বিয়ে হবে!
দিদির মতন ফাঁকি দিয়ে
আমিও যদি লুকাই গিয়ে--
তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে?
আমিও নাই, দিদিও নাই - কেমন মজা হবে!


ভুঁইচাঁপাতে ভরে গেছে শিউলি গাছের তল,
মাড়াস নে মা পুকুর থেকে আনবি যখন জল;
ডালিম গাছের ডালের ফাঁকে
বুলবুলিটি  লুকিয়ে  থাকে,
উড়িয়ে তুমি দিয়ো না মা  ছিঁড়তে গিয়ে ফল;--
দিদি এসে শুনবে যখন, বলবে কি মা বল!

বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ ঊঠেছে ওই--
এমন সময়,মাগো,আমার কাজলা দিদি কই?
বেড়ার ধারে পুকুর পাড়ে
ঝিঁঝিঁ ডাকে ঝোপে ঝাড়ে ;
নেবুর গন্ধে ঘুম আসেনা -তাইতো জেগে রই;-
রাত হল যে,মাগো, আমার কাজলা দিদি কই?
By : যতীন্দ্রমোহন বাগচী