কাজলা দিদি

 আমরা ছাত্রাবস্থায় কিছু কবিতা পড়েছিলাম, কিছু কিছু এখনও মনে গেঁথে আছে। সেরকমই একটা কবিতা এখানে দিলাম, আশা করি আপনাদের পুরানো স্মৃতি উস্কে দেবে, হয়ত ভাল লাগবে ---
বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ উঠেছে ওই--
মাগো, আমার শোলক-বলা কাজলা দিদি কই ?
পুকুর ধারে, নেবুর তলে     
থোকায় থোকায় জোনাই জ্বলে,--
ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা, একলা জেগে রই;
মাগো, আমার কোলের কাছে  কাজলা দিদি কই?

সে দিন হতে দিদিকে আর কেনই বা না ডাকো,
দিদির কথায় আঁচল দিয়ে মুখটি কেন ঢাকো ?
খাবার খেতে আমি যখন  
দিদি বলে ডাকি  তখন,
ওঘর থেকে কেন মা আর  দিদি আসেনাকো,
আমি ডাকি, - তুমি কেন চুপটি করে থাকো ?

বল মা দিদি কোথায় গেছে, আসবে আবার কবে?
কাল যে আমার নতুন ঘরে পুতুল বিয়ে হবে!
দিদির মতন ফাঁকি দিয়ে
আমিও যদি লুকাই গিয়ে--
তুমি তখন একলা ঘরে কেমন করে রবে?
আমিও নাই, দিদিও নাই - কেমন মজা হবে!

ভুঁইচাঁপাতে ভরে গেছে শিউলি গাছের তল,
মাড়াস নে মা পুকুর থেকে আনবি যখন জল;
ডালিম গাছের ডালের ফাঁকে
বুলবুলিটি  লুকিয়ে  থাকে,
উড়িয়ে তুমি দিয়ো না মা  ছিঁড়তে গিয়ে ফল;--
দিদি এসে শুনবে যখন, বলবে কি মা বল!

বাঁশবাগানের মাথার উপর চাঁদ ঊঠেছে ওই--
এমন সময়,মাগো,আমার কাজলা দিদি কই?
বেড়ার ধারে পুকুর পাড়ে
ঝিঁঝিঁ ডাকে ঝোপে ঝাড়ে ;
নেবুর গন্ধে ঘুম আসেনা -তাইতো জেগে রই;-
রাত হল যে,মাগো, আমার কাজলা দিদি কই?
By : যতীন্দ্রমোহন বাগচী



মোবাইলহীন যুগের একটি গল্প

আজ মোবাইল ফোন ছাড়া এক মুহুর্ত চলে না। এটা আমাদের জীবনের একটা অঙ্গ হয়ে গেছে। মোবাইলহীন জীবনটা এখন ভাবাই যায় না। কিন্তু এটাওতো  সত্য মোবাইলহীন জীবনও আমরা দেখেছি। এখন অনেক ঘটনা মনে পড়ে, মনে হয়, সেইসময় যদি মোবাইল ফোন থাকত তাহলে ঘটনাটা অন্যরকম হত। তখন মোবাইলহীন জীবনে অনেক মজার ঘটনাও ঘটত। সে রকমই একটি ঘটনা আমার এক মহিলা সহকর্মী বলেছিল। তার সেই গল্পটাই আজ বলব।

আমার সহকর্মী তখন সদ্য চাকুরীতে যোগ দিয়েছে এবং  সদ্য বিবাহিতা। কিন্তু Higher Degree'র জন্য তখনও সে পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছে। সে কলকাতার কাছের এক মফঃস্বল অঞ্চল থেকে অফিস করতো। একদিন অফিসের পর বইপাড়ায় (কলেজ ষ্ট্রীট ) গিয়ে কিছু বই কিনতে যাবার জন্য তার স্বামীকে শিয়ালদহ ষ্টেশনে আসতে বলেছিলো। সেখান থেকে দুজনে একসঙ্গে কলেজ ষ্ট্রীটে গিয়ে বই কিনে বাড়ী ফিরবে- এই  ছিল তাদের সেদিনের প্লান।

মহিলা অফিস থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে সময়ের আগেই শিয়ালদহ ষ্টেশনে পৌঁছে যায়, এবং তার স্বামীর জন্য অপেক্ষা করতে থাকে। শিয়ালদাহ ষ্টেশনে সেরকম বসার কোন ব্যাবস্থা নেই । কিন্তু মোটা মোটা থামের চারপাশে সিমেন্টের বাঁধানো বসার ব্যাবস্থা  আছে। প্রয়োজনে সবাই সেগুলোকেই বসার ব্যাবস্থা হিসাবে ব্যাবহার করে।  আমার সহকর্মীনীও সময় আছে দেখে একটা থামের সিমেন্টের বেঞ্চে বসে অপেক্ষা করতে লাগলো। 

এদিকে মহিলার স্বামীও নির্ধারিত সময়ের কিছু আগেই শিয়ালদহ পৌঁছে, তার wifeকে দেখতে না পেয়ে, ভাবলো অফিস থেকে দেরীতে বেরিয়েছে হয়ত, তাই আসতে দেরী হচ্ছে। তাছাড়া বাস পাওয়ারও ঝামেলা থাকতে পারে, এই সব ভেবে অপেক্ষা করার জন্য সেও একটা থামের বেঞ্চে বসল। মোবাইলহীন যুগে এছাড়া করারই বা কি ছিল ! এখন হলে এর মধ্যে কতবার ফোন করা হয়ে যেত। তারা দুজনেই অপেক্ষা করতে লাগলো। সময় তাঁর মত কেটে গেল, কিন্তু তারা জানল না যে তারা একই থামের উল্টোদিকে বসে একজন আরেকজনের জন্য অপেক্ষা করছে।  
 যখন দুজন দুজনকে আবিষ্কার করলো, অনেকটাই সময় কেটে গেছে, এত কাছে থেকেও - কেও কাওকে দেখতে না পাওয়ার জন্য দুজনেই অবাক। কেউ কাওকে  দোষারোপ করতে পারল না কিন্তু নিজেদের বোকামির জন্য দুজনেই বেশ কিছুক্ষণ হাসল।

সেদিন কলেজ ষ্ট্রীট যাওয়া মাথায় উঠলো। কিছু টুক টাক খেয়ে ফিরতি ট্রেনে উঠে পড়লো। তখন অফিস ভীড় শুরু হয়ে গেছে। দুজনে একসঙ্গে বাড়ী ফিরছে এটাই ছিল সেদিনের বড় পাওনা। শিয়ালদহ ষ্টেশনের এই মজার স্মৃতিটুকু বলতে বলতে সেদিনের সেই বোকামীর জন্য আমার মহিলা সহকর্মী হাসতে লাগলো।  

আমরা মোবাইলহীন যুগে থখন কত অসহায় ছিলাম। কত সময় নষ্ট হত। উপরের ঘটনা থেকে তা আমরা পরিষ্কার বুঝতে পারছি। সেদিন তাদের কাছে মোবাইল ফোন থাকলে এ ঘটনা নিশ্চয় ঘটত না।

হে মহাজীবন



হে মহাজীবন, আর এ-কাব্য নয়
এবার কঠিন কোঠর গদ্য আনো
পদলালিত্য-ঝংকার মুছে যাক,
গদ্যের কড়া হাতুড়িকে আজ হানো।

প্রয়োজন নেই কবিতার স্নিগ্ধতা -
কবিতা, তোমায় দিলাম আজকে ছুটি,
ক্ষুদার রাজ্যে পৃথিবী গদ্যময় ;
পূর্ণিমা-চাঁদ যেন ঝলসানো রুটি।

               - By সুকান্ত ভট্টাচার্য

*********



.

পথের পাঁচালি - কিছু জানা কিছু অজানা কথা

Satyajit Ray during the shooting of Pather Panchali
 আমাদের প্রিয় লেখক শঙ্কর আনন্দবাজারের প্রতিনিধি হিসাবে একদা সত্যজিৎ রায়ের মুখোমুখি হয়েছিলেন, পথের পাঁচালি মুক্তির (১৯৫৫) ৩০ বছর পর। আমরা সবাই জানি "পথের পাঁচালি" সত্যজিৎ রায়ের প্রথম প্রছেষ্টা। সত্যজিৎ  রায় তখন "সত্যজিৎ রায়" হননি, তাই তখন তাঁর "পথের পাঁচালি" নিয়ে অনেক কথা, অনেক সমালোচনা  তখন হয়েছিল। অনেক ঘটনা, সমালোচনা হয়েছিল আমরা তা জানি না। লেখক শঙ্কর তাঁর "চরন ছুঁয়ে যাই" (প্রথম পর্ব্বে) বইতে কিছু কিছু লিপিবদ্ধ করেছেন। বইটা পড়ার পর, সেখান কিছু লিখে রাখার ইচ্ছে হলো । তাই কিছু কিছু  অংশ এখানে তুলে দিলাম, পাঠকদের জন্য। আশাকরি ভাল লাগবে কারন পথের পাঁচালি সংক্রান্ত কোনো কথাই কোনোদিন পুরনো হবে না।

"ছবিটা তৈরী করতে দু-আড়াই লাখ টাকা লেগেছিল। একসময় রানা অ্যান্ড দত্ত থেকে হাজার কুড়ি টাকা হুন্ডিতেও নিতে হয়েছিল। ধার চেয়েও অনেকসময় পাওয়া যায়নি। যে ভাঙ্গা বাড়ীটায় বেশিরভাগ শ্যুটিং হয়েছিল তা মাসিক পঞ্চাস  টাকায় ভাড়া নেওয়া হয়েছিল। শ্যুটিং হোক  না হোক  আড়াই বছর ধরে ওই মাসিক ভাড়া গুনতে হয়েছিল। চিত্রসত্বের জন্য বিভুতি  বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিবার বোধহয় পেয়েছিলেন হাজার দশেক।"
"প্রডিউসারদের দ্বারস্ না হয়ে, আমাদের নিজেদের যে সঙ্গতি আছে তাই দিয়েই কাজ শুরু করার সিদ্ধান্ত হলো। ইতিমধ্যেই অপু এবং দুর্গাকে পাওয়া গিয়েছে। আমরা ১৯৫৩ সালের অক্টোবর মাসে জগদ্ধাত্রী পুজোর দিনে এক কাশবনে সুটিং আরম্ভ করলাম। লোকেশন শক্তিগড়ের আগে পালশিষ্টেশনের কাছে।... "

সত্যজিৎ রায় শঙ্করকে বলছেন "...... এবার ভাবলাম কোনো প্রডিউসারকে আগ্রহী করা যায় কিনা। ধর্মতলায় প্রডিউসারদের দরজায় দরজায় ঘুরেছি, কত লোককে বার বার শুনিয়েছি, জুতোর গোড়ালি ক্ষয়ে  গিয়েছে, কিন্তু কাউকে রাজি করাতে পারিনি। তখন রাগ হতো, এখন দোষ দিই না এঁদের। আমাদের কারও পূর্ব অভিজ্ঞতা ছিল না। প্রডিউসারদের নিশ্চয় সন্দেহ হতো ওঁরা কি পারবেন?"

"টাকার অভাবে দীরঘ সময় যখন কাজ বন্ নকার যন্ত্রনারতিবৃত্ত নানা পত্র পত্রিকায় ছড়িয়ে রয়েছে। হটাৎ কে যেন বললো একবার ডঃ
বিধান রায়কে ধরে দেখলে হয় না?"
"বিধানবাবু আমাদের ছবি দেখলেন, খুশি হলেন এবছবির দায়িত্ব গ্রহন করলেন। যা নিজেদের পকেট থেকে এবধার করে খরচ হয়েছিল তা মিটিয়ে দিলেন এবং বাকি টাকা দেবার নির্দেশ দিলেন।"
"ছবি করতে গিয়ে মানুষ হিসেবেও আমার অনেক অভিজ্ঞতা হলো। শহরে জন্মেছি, গ্রাম এবং প্রকৃতি সম্বন্ধে প্রত্যক্ষ কনো ধারনাই ছিল না..... বিভুতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বই থেকে গ্রামকে জেনেছি, কিন্তু শুটিং করতে গিয়ে গ্রামকে ভালবেসেছি, সেখানেই যে আমার শিকড় রয়েছে তা বঝেছি। ছবিটা করতে গিয়ে শুধু ছবি তোলার অভিজ্ঞতা হয়েছে তা নয়, তাঁর বাইরেও প্রচুর ভিজ্ঞতা যা আমাকে মানুষ হিসাবে পরিণত করেছে , আমাকে দেশকে ভালবাসতে শিখিয়েছে।

সমস্ত কাজের জন্য পথের পাঁচালি থেকে সত্যজিৎ রায় আট / দশ হাজারের বেশী পাননি।সত্যজিত রায় কিন্তু ওইসব চিন্তায় মোটেই বিব্রত নন। তিনি বললেন, "কোন দুঃখ নেই। নিজের পায়ে দাঁড়াবার সুযোগটা ওখান থেকেই পেয়েছি, সেটার জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কাছে আমি চিরকৃতজ্ঞ। ছবিটা শেষ না হলে আমাকে বিজ্ঞাপন অফিসের দাসত্ব করতে হতো। আমি যে ফিল্মমেকার হতে পেরেছি এর জন্য পশ্চিমবঙ্গ সরকারই দায়ী।"

পথের পাঁচালির সমালোচনার অনুরোধে গভীর চিন্তায় ডুব দিলেন সত্যজিৎ রায় । বললেন, "ছবিটা তুলেছিলাম এমনভাবে যাতে কঠিন দৃশ্যগুলো গল্পের শেষের দিকে আসে। গল্পটা গোড়া থেকে আরম্ভ করে যেরকম বিন্যস্ত সেইভাবে তুলেছিলাম। ফলে ছবিটায় শেষের দিকের কাজ প্রথম দিকের থেকে অনেক পাকা। প্রথম দিকে অনভিজ্ঞতার অনেক ছাপ রয়ে গিয়েছে। পথের পাঁচালিকে নতুন করে এডিট করতে পারলে আমি খুব খুশি হতাম।নতুন করে কাঁচি চালাতে পারলে প্রথম দিকের কিছু কিছু দীর্ঘ দৃশ্য ছোট হত। জিনিষটা আরও পরিপাটি ও ছিমছাম হতো, গতি বাড়তো। গোড়ার দিকের কিছু দৃশ্য বড্ড কাঁচা লাগে।"
সংবাদপত্রের প্রতিনিধি হিসাবে আমার ( লেখক শঙ্কর বলছেন ) কিছু অপ্রিয় দায়িত্ব থেকে যায়। তাই জিজ্ঞেস করলাম (শঙ্কর পাঠকদের জন্য)," কবে আপনি বুঝতে পারলেন যে পথের পাঁচালি বিশ্বজয়ী হতে চলেছে ?"
শঙ্কর লিখছেন । সত্যজিৎ আবার চিন্তাসাগরে ডুব দিলেন। "আমেরিকায় রিলিজ ডে তে হলের লবিতে বসে আছি। রাত তখন বোধহয় আটটা সাড়ে আটটা হল থেকে সাদা এবং কালো মানুষ বেরিয়ে আসছেন। তাদের সকলের চোখে জল। কেও কেও আমার দিকে এগিয়ে এলেন, বললেন, কোনো ছবি এমনভাবে বুকে লাগেনি।"

আবার চিন্তা করলেন সত্যজিৎ রায়। "তবে মনে রাখবেন বিদেশ জয় করবার পর পথের পাঁচালি স্বদেশে স্বীকৃতিলাভ করেছে, এই অভিযোগ নিছকই গুজব মাত্র। প্রথম দিন থেকে দেশের মানুষ আমাকে যা প্রাপ্য তাঁর চেয়ে বিন্দুমাত্র কম দেননি।"
"গুজবের কথা যখন তুললেন, কেও কেও বলেন, ছবি শেষ হবার আগেই নেহরু পরিবার আপনাকে সাহায্য করেছিলেন।"
"আগে কিছু সাহায্য পাইনি।তবে বিদেশ মন্ত্রকের কিছু আমলা যখন ভারতবর্ষের দারিদ্রকে অতিমাত্রায় প্রচারিত করা হয়েছে এই অভিযোগে বিদেশে পথের পাঁচালি প্রদর্শনে বাগড়া দিচ্ছিলেন সেই সময়  জওহরলাল ছবিটা দেখেছিলেন। সেই শোতে ডঃ বিধানচন্দ্র রায় এবং বিজয়লক্ষী তনয়া নয়নতারা উপস্থিত ছিলেন। ছবির শেষে জওহরলাল কাঁদতে লাগলেন এবং অবশ্যই বিদেশে প্রচারের সব বাধাবিপত্তি সরিয়ে নিলেন।"
"আরেকটি গুজবঃ আনন্দবাজারে নাকি প্রথমে নিন্দা এবং পরে প্রশংসা প্রকাশিত হয়েছিল?"

"ঠিক কথা নয়। বসুশ্রী-বীণাতে মুক্তির পরের সপ্তাহেই আনন্দবাজারে লেখা হয়েছিলঃ "বিশ্বের একখানি সেরা ছবি তোলার কৃতিত্ব দেখাবার মতো প্রতিভাও যে এদেশে আছে পথের পাঁচালি দেখার আগে তা নেহাতই স্বপ্নকথা ছিল।" নিউইয়র্ক টাইমসের জাঁদরেল সমালোচক ক্রাউযার কিন্তু প্রথমে তীব্র সমালোচনা করেছিলেন। পরে প্রতিবাদে বহু চিঠি প্রকাশিত হতে লাগলো নিউইয়র্ক টাইমসে। তখন ক্রাউযার তাঁর মত পাল্টে আর একটি প্রশংসাসূচক সমালোচনা লেখেন।"
পুরনো গ্লানি তিরিশ বছরের দূরত্ব পেরিয়ে সত্যজিৎ রায় পুনরাবিষ্কার করতে চাইলেন না। অনেক অনুরোধের পর জানালেন, "সবচেয়ে খারাপ মন্তব্য হয়েছিল কলকাতায়। এক বিখ্যাত এবং বহুপুরস্কৃত সাহিত্যিক জানিয়েছিলেন, ছবিটি দেখে বোঝা গেল সত্যজিৎ রায় সাহিত্যের কিছুই বঝেন না।"
সবচেয়ে স্মরনীয় সমালোচনা প্রকাশিত হয়েছিল আমেরিকার ফিল্ড কোয়ার্টালিতে - আর্লিন ক্রোচে নামক এক মহিলা "দারুন রিভিউ করেছিলেন। ভদ্রমহিলা ছবির অন্তস্তলে প্রবেশ করেছিলেন, কী করে পেরেছিলেন তা আমি নিজেও জানি না।" বললেন সত্যজিৎ রায়।


Subir Banerjee as Apu and Runki Banerjee as Durga (Child) & Uma Dasgupta as Durga  (Teenager)


Karuna Banerjee as Sarbojaya & Chunibala Devi as Indir Thakrun (Old Aunt)

Following its premiere in 1955 during an exhibition in New York's Museum of Modern Art, Pather Panchali was released in Calcutta the same year to enthusiastic reception. A special screening was attended by the Chief Minister of West Bengal and the then Prime Minister of India, Jawaharlal Nehru. Critics have praised its realism, humanity and soul-stirring quality, while others have counted its slow pace a drawback, and some have condemned it for romanticising poverty. Scholars have commented on the film's lyrical realism (influenced by Italian neorealism), its portrayal of the poverty and small delights of daily life, and the use of what Darius Cooper has termed the "epiphany of wonder", among other themes. (From Wikipedia)

ABOUT THE NOVEL

পথের পাঁচালী (Pother Panchali), translated as Song of the Road is a novel written by Bibhutibhushan Bandopadhyay and was later adapted into a film of the same name by Satyajit Ray. Pather Panchali deals with the life of the Roy family (Harihar Roy, the protagonist of the story), both in their ancestral village in rural Bengal and later when they move to Varanasi  in search of a better life, as well as the anguish and loss they face during their travels. The novel was originally published in 1929, this was the first published novel by the author।
দেখুন  "পথের পাঁচালী"